ফেনীর গর্ব আবদুস সালাম
আবু তাহের, ফেনী
বাবার পুরোনো টিনের ঘরটি এখন নেই। সেখানে এখন ভাষাশহীদ আবদুস সালামের ছোট ভাই আবদুল করিম ছোট একটি একতলা দালান নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। তার পাশে বড় বোন বলকিয়তের নেছার পুরোনো মরিচাপড়া টিনের ঘরটি রয়েছে।
ঘরে ঢুকতেই চোখে পড়ে শহীদ সালামের বাঁধানো ছবি, পাশে একুশে পদকের সম্মাননা সনদ।
ভাষাশহীদ সালামের বাড়ি ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর গ্রামে। সরকার গ্রামের নাম পরিবর্তন করায় বর্তমানে গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে ‘সালামনগর’। একুশে ফেব্রুয়ারির মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
শহীদ সালামের রক্তমাখা শার্টসহ কিছু স্মৃতি রক্ষার চেষ্টা হলেও এখন নেই। এগুলো ছিল একটি টিনের স্যুটকেসে। সিঁধেল চোর ঘরে ঢুকে স্যুটকেসে দামি জিনিস ছিল মনে করে নিয়ে গেছে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রামে ‘ভাষাশহীদ সালাম গ্রন্থাগার ও জাদুঘর’ স্থাপন করা হয়। ওই জাদুঘরে প্রায় পাঁচ হাজার বই রাখা হয়।
জাদুঘরের পাশেই রয়েছে ভাষাশহীদ সালাম কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
গ্রন্থাগারিক খাদিজা বেগম (শহীদ সালামের ভাইয়ের মেয়ে) জানান, মাঝেমধ্যে দূর-দূরান্ত থেকে কিছু লোক শহীদ সালামের গ্রাম, বাড়ি এবং জাদুঘর দেখতে আসেন।
শহীদ সালামের বাড়ি জাদুঘর থেকে ৩০০ গজ দূরে।
ঘরে ঢুকতেই চোখে পড়ে শহীদ সালামের বাঁধানো ছবি, পাশে একুশে পদকের সম্মাননা সনদ।
ভাষাশহীদ সালামের বাড়ি ফেনী জেলার দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লক্ষ্মণপুর গ্রামে। সরকার গ্রামের নাম পরিবর্তন করায় বর্তমানে গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে ‘সালামনগর’। একুশে ফেব্রুয়ারির মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি আহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
শহীদ সালামের রক্তমাখা শার্টসহ কিছু স্মৃতি রক্ষার চেষ্টা হলেও এখন নেই। এগুলো ছিল একটি টিনের স্যুটকেসে। সিঁধেল চোর ঘরে ঢুকে স্যুটকেসে দামি জিনিস ছিল মনে করে নিয়ে গেছে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রামে ‘ভাষাশহীদ সালাম গ্রন্থাগার ও জাদুঘর’ স্থাপন করা হয়। ওই জাদুঘরে প্রায় পাঁচ হাজার বই রাখা হয়।
জাদুঘরের পাশেই রয়েছে ভাষাশহীদ সালাম কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
গ্রন্থাগারিক খাদিজা বেগম (শহীদ সালামের ভাইয়ের মেয়ে) জানান, মাঝেমধ্যে দূর-দূরান্ত থেকে কিছু লোক শহীদ সালামের গ্রাম, বাড়ি এবং জাদুঘর দেখতে আসেন।
শহীদ সালামের বাড়ি জাদুঘর থেকে ৩০০ গজ দূরে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনের পাশে টিটিপাড়ায় স্টার লাইন পরিবহনের বাসে করে সরাসরি ফেনী যাওয়া যায়। অথবা সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে চট্টগ্রাম বা নোয়াখালীগামী যেকোনো বাসে চড়ে ফেনীর মহিপাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে।
চট্টগ্রাম বা ওই দিক থেকে যেতে হলে যেকোনো বাসে ফেনীর মহিপাল বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে।
ফেনীর মহিপাল থেকে নোয়াখালীগামী যেকোনো বাসে উঠে দাগনভূঞার বেকের বাজার বা মাতুভূঞা সেতুর পাশে নেমে একটু হেঁটে যাওয়া যাবে। অথবা ফেনীর মহিপাল থেকে ট্যাক্সি নিয়ে যাওয়া যাবে।
