জামাত-শিবির ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে কথাটা অনেকেই বলেন। কিন্তু তার উদাহরন এতো কঠিন ভাবে আমাদের সামনে আসবে তা বুঝিনি। রাজীব (থাবা বাবা) কে টার্গেট করেই হত্যা করা হয়েছে যাতে শাহবাগ জাগরনে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করা যায়। একটা কথা পরিষ্কার ভাবে বলতে চাই - ইসলামে এই ধরনের হত্যার কোন সুযোগ নেই। যতক্ষন না আক্রান্ত হয় ততক্ষন কাউকে আক্রমন করার কোন সুযোগ নেই। ...
রাজীবের ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে আলোচনাটাই জামাত শিবিরের পক্ষে যাচ্ছে - কারন ধর্মের কার্ড খেলায় এই ঘাতকচক্র খুবই পারদর্শী। রাজীব যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবী করেছে - আমিও যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবী করছি - সেই বিবেচনায় রাজীব আমার সহযোদ্ধা। যদিও থাবার সাথে ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে - কিন্তু কাপুরুষের মতো অন্ধকারের জন্তুদের হাতে নিহত হওয়ার মতো নির্মমতা কখনও কারো হবে তা কল্পনাতেই ছিলো না। রাজীব হত্যা মানেই বিচারের দাবীকে স্তব্ধ করে দেওয়া। শেষ রক্তবিন্দু শরীরে থাকতে এই দাবী বন্ধ হবে না। এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বাংলাদেশ থেকে জামাত-শিবির চক্রের নির্মূল করার মাধ্যমে। পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই - রাজীব হত্যার সাথে ধর্ম বিশ্বাসের নূন্যতম সম্পর্ক নেই - এইটা একটা কৌশল মাত্র। রাজীব চলমান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের একজন শহীদ - রাজীবকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্যের দাবী করছি। আরো দাবী করছি হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা।
বাংলাদেশ সরকারের কাছে দাবী করছি চিহ্নিত অগ্রগামী সকল ব্লগারের নিরাপত্তার ব্যবস্থার সাথে সাথে ঢাকার সকল শিবিরের ঘাটিগুলোতে অভিযান পরিচালনা করে তাদের নিষ্ক্রিয় করা। নতুবা বৃহত আকারের একটা ঘটনার জন্যে তৈরী হওয়া ছাড়া পথ খোলা নেই। শাহবাগের আন্দোলনকারীদের সামনে হয়তো লড়াই ছাড়া আর কোন পথ খোলা থাকছে না।
Abu Ziauddin


No comments:
Post a Comment