Social Icons

Join Our Facebook Fan Page

Wednesday, February 20, 2013

ভাষা শহীদদের স্মরণেঃ পর্ব এক

 

পারিল এখন রফিকনগর

আবদুল মোমিন, মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলার বলধরা ইউনিয়নের পারিল গ্রামে জন্মেছিলেন রফিক। তবে এ গ্রাম এখন রফিকনগর নামেই অনেকের কাছে চেনা। বছর চারেক আগে তাঁর নামে এ গ্রামেই ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের মিছিলে যোগ দেন রফিক। মিছিলে মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
রফিকউদ্দিনের সম্মানে আজকের এই গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। এর থেকে ২০০-২৫০ গজ দূরেই ভাষাশহীদের পৈতৃক ভিটা।
২০০০ সালে প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র ওই বাড়িতে একটি পাঠাগার ও বাসগৃহ নির্মাণ করে দেয়। সেখানে বাস করেন শহীদ রফিকের ভাই মৃত আবদুল খালেকের পরিবার।
গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন রফিকের ভাতিজা মো. শাহজালাল। তিনি জানান, স্মৃতি জাদুঘর ও শহীদ রফিকের বাড়িতে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক দর্শনার্থী আসেন। এ ছাড়া আশপাশের কয়েকটি গ্রামের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ছাড়াও তরুণেরা এখানে বই ও পত্রিকা পড়তে নিয়মিত আসেন।

 

যেভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার গাবতলী থেকে সিঙ্গাইর হয়ে হরিরামপুর উপজেলায় সরাসরি বাস আছে। সাভারের হেমায়েতপুর হয়ে সিঙ্গাইর-হরিরামপুর সড়কে এসব বাস চলাচল করে। এ ছাড়া হেমায়েতপুর থেকেও বিভিন্ন ছোট গাড়ি যেমন সিএনজিচালিত অটোরিকশা, টেম্পোতে করে ভাষাশহীদ রফিক উদ্দিন আহমদের বাড়ি এবং গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যেতে পারবেন। গাবতলী থেকে সিঙ্গাইর-হরিরামপুর সড়কের ঋষিপাড়া বাসস্ট্যান্ডের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। সেখান থেকে রফিকনগর মাত্র তিন কিলোমিটার।

যেখানে থাকবেন
রফিকনগরে থাকার মতো কোনো আবাসিক হোটেল নেই। এর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরে উপজেলা সদরে রয়েছে ডাকবাংলো। সেখানে ভাষাশহীদ রফিকের বসতভিটা ও তাঁর স্মৃতি জাদুঘর দেখতে আসা দর্শনার্থীরা থাকতে পারবেন। এ ছাড়া ঢাকার গাবতলী থেকে রফিকনগরে আসতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। কাজেই ঢাকা থেকে এসে জাদুঘর ও রফিকের বাড়ি ঘুরে যেতে পারেন।


ূত্রঃ প্রথম আলো

No comments:

Post a Comment