উপযুক্ত তথ্যপ্রমান থাকার পরও 'মিরপুরের কসাই' কাদের মোল্লাকে ফাঁসির আদেশ না দিয়ে দেয়া হয়েছিল যাবজ্জীবন দন্ড -যার বিরুদ্ধে সাথে সাথে জনতা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে রাস্তায় নেমে আসে । সেই আন্দোলনে রায়ের বিরুদ্ধে সকল রাজাকারের ফাঁসির দাবীতে প্রতি সেকেন্ডে যুক্ত হতে থাকে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মজীবি-গৃহবধু-শ িশু-বৃদ্ধ ......এবং আন্দোলন কুক্ষিগত করার অপেক্ষায় থাকা কিছু দালাল ।
বিভিন্ন সময় ইনবক্সে যোগাযোগ করে অনেকে জানতে চেয়েছেন - এই আন্দোলনের ভবিষ্যত কি ? জানি কিছু মানুষ এই আন্দোলনকে পুঁজি করতে চেয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন ধাপে , তবুও সবাইকে বলেছি - রাজাকারের ফাঁসি চাই ,আন্দোলন চলবেই । এখনো বিজয় অর্জিত হয়নি , ফাঁসির ঘোষনা পাইনি কাদের মোল্লার - নিষিদ্ধ হয়নি জামায়াত শিবির । আজ.....আজ আরেকবার মহাসমাবেশের সিদ্ধান্ত শুনে নিজেকে হতাশ মনে করছি ।
যখন সারা বাংলাদেশে শিবির তান্ডব চালাচ্ছে তখন জনতা রুখে দাড়াচ্ছে কিন্তু দলীয় ছাত্রলীগকে দেখা যাচ্ছে না প্রতিরোধে - তারা শাহবাগে মাইক হাতে আন্দোলনে ক্ষমতা প্রদর্শনে ব্যস্ত । শিবিরের হাতে যখন জনতা খুন হচ্ছে - তখন প্রশাসনকে দেখা য...াচ্ছে না শক্ত হাতে নির্মূল করতে । শিবিরের সাথে বিএনপি'র নেতারা যখন সঙ্গম করছে তখন প্রধানমন্ত্রী আর সংসদীয় দল আশায় আছে জামাতকে নিষিদ্ধের বিষয়ে সর্বদলীয় ঐক্যমতের অপেক্ষায় ! আর তত্থাকথিত নেতারা ? যারা নিজেরা নিজেদের মত দাবী সাজিয়ে স্পীকারের কাছে লিপি জমা দিয়ে , লক্ষ জনতাকে দিয়ে মোমবাতি জ্বালানোতেই আন্দোলনের অর্জন বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলেন,তিন মিনিট নীরবতা পালন করিয়ে সেটাকে অর্জন হিসেবে মহাসমাবেশে ঘোষনা দিয়ে কোনো ইঙ্গিত বা আলোচনা ছাড়াই আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেন !!
আমাদের ঠিক কোন দাবী অর্জিত হয়েছে ? কেন দিনের নির্দিষ্ট সময় আমরা শাহবাগের রাস্তা ছেড়ে দাড়াবো ? কার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত ? আন্দোলন আমরা কম করিনি অফলাইনে , আমরা কি বুঝিনা একবার রাস্তা ছেড়ে দেয়ার অর্থ কি হতে পারে ?
আন্দোলনের সময় ছাত্র লীগ ছাড়াও ছাত্র ইউনিয়ন ও বাম দলের কর্মীরা ছিলেন মঞ্চে,মঞ্চের সামনের চত্ত্বরে । আপনারাও এই প্রশ্নের বাইরে নন । কারা আপনাদের 'কমিটি'কে এখতিয়ার দিয়েছে আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেয়ার ? আপনার কারা যারা জনতার আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেন ? অরাজনৈতিক আন্দোলন বলে আমরা সবাইকে আসতে আহবান জানাচ্ছি,গলা ফাটাচ্ছি সর্বত্র কিন্তু আপনাদের নেতাদের মঞ্চে দাঁড়ানোর কারনেই কি ছাত্রলীগ মঞ্চে দাড়াবার আবদারের সুযোগ পায় নি ?
সালাম নেতারা ! সালাম আপনাদের ।
Truth Is The First Casualty Of War । আমাদের এই যুদ্ধেও তার অন্যথা না করার জন্য অনেক ধন্যবাদ । অনেক স্বঘোষিত নায়ক দেখলাম । এখন শাহবাগের দালালগুলোকে দেখার অপেক্ষায় জনতা ।
জয় বাংলা ।
লিখেছেন- দূর্যোধন দূর্যোধন
বিভিন্ন সময় ইনবক্সে যোগাযোগ করে অনেকে জানতে চেয়েছেন - এই আন্দোলনের ভবিষ্যত কি ? জানি কিছু মানুষ এই আন্দোলনকে পুঁজি করতে চেয়েছে আন্দোলনের বিভিন্ন ধাপে , তবুও সবাইকে বলেছি - রাজাকারের ফাঁসি চাই ,আন্দোলন চলবেই । এখনো বিজয় অর্জিত হয়নি , ফাঁসির ঘোষনা পাইনি কাদের মোল্লার - নিষিদ্ধ হয়নি জামায়াত শিবির । আজ.....আজ আরেকবার মহাসমাবেশের সিদ্ধান্ত শুনে নিজেকে হতাশ মনে করছি ।
যখন সারা বাংলাদেশে শিবির তান্ডব চালাচ্ছে তখন জনতা রুখে দাড়াচ্ছে কিন্তু দলীয় ছাত্রলীগকে দেখা যাচ্ছে না প্রতিরোধে - তারা শাহবাগে মাইক হাতে আন্দোলনে ক্ষমতা প্রদর্শনে ব্যস্ত । শিবিরের হাতে যখন জনতা খুন হচ্ছে - তখন প্রশাসনকে দেখা য...াচ্ছে না শক্ত হাতে নির্মূল করতে । শিবিরের সাথে বিএনপি'র নেতারা যখন সঙ্গম করছে তখন প্রধানমন্ত্রী আর সংসদীয় দল আশায় আছে জামাতকে নিষিদ্ধের বিষয়ে সর্বদলীয় ঐক্যমতের অপেক্ষায় ! আর তত্থাকথিত নেতারা ? যারা নিজেরা নিজেদের মত দাবী সাজিয়ে স্পীকারের কাছে লিপি জমা দিয়ে , লক্ষ জনতাকে দিয়ে মোমবাতি জ্বালানোতেই আন্দোলনের অর্জন বলে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলেন,তিন মিনিট নীরবতা পালন করিয়ে সেটাকে অর্জন হিসেবে মহাসমাবেশে ঘোষনা দিয়ে কোনো ইঙ্গিত বা আলোচনা ছাড়াই আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেন !!
আমাদের ঠিক কোন দাবী অর্জিত হয়েছে ? কেন দিনের নির্দিষ্ট সময় আমরা শাহবাগের রাস্তা ছেড়ে দাড়াবো ? কার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত ? আন্দোলন আমরা কম করিনি অফলাইনে , আমরা কি বুঝিনা একবার রাস্তা ছেড়ে দেয়ার অর্থ কি হতে পারে ?
আন্দোলনের সময় ছাত্র লীগ ছাড়াও ছাত্র ইউনিয়ন ও বাম দলের কর্মীরা ছিলেন মঞ্চে,মঞ্চের সামনের চত্ত্বরে । আপনারাও এই প্রশ্নের বাইরে নন । কারা আপনাদের 'কমিটি'কে এখতিয়ার দিয়েছে আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেয়ার ? আপনার কারা যারা জনতার আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেন ? অরাজনৈতিক আন্দোলন বলে আমরা সবাইকে আসতে আহবান জানাচ্ছি,গলা ফাটাচ্ছি সর্বত্র কিন্তু আপনাদের নেতাদের মঞ্চে দাঁড়ানোর কারনেই কি ছাত্রলীগ মঞ্চে দাড়াবার আবদারের সুযোগ পায় নি ?
সালাম নেতারা ! সালাম আপনাদের ।
Truth Is The First Casualty Of War । আমাদের এই যুদ্ধেও তার অন্যথা না করার জন্য অনেক ধন্যবাদ । অনেক স্বঘোষিত নায়ক দেখলাম । এখন শাহবাগের দালালগুলোকে দেখার অপেক্ষায় জনতা ।
জয় বাংলা ।
লিখেছেন- দূর্যোধন দূর্যোধন
No comments:
Post a Comment